গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের শিবচরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক গৃহবধূর স্বামী।
মানচিত্র
মাদারীপুরের শিবচরের বাঁশকান্দিতে ঘরের আড়ার সঙ্গে থেকে গৃহবধূ সাথী বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার বাশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামে মামুন চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিবচর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

তবে, ঘটনার পর থেকে স্বামী মামুন চৌকিদার পলাতক রয়েছে। পুলিশ এ ব্যাপারে কোনও কথা বলতে রাজি হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে যায়, বুধবার ভোরে সাথী বেগমের স্বামী মামুন চৌকিদার তার শ্বশুর বাড়িতে ফোন করে খবর দেয় সাথী ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে গৃহবধূর ভাই আনোয়ার হোসেন ও পরিবার লোকজন এসে সাথীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ভোর থেকেই স্বামী মামুন চৌকিদার পলাতক রয়েছে। নিহত সাথী বেগম দুই ছেলে ও এক মেয়ের মা। নিহত সাথী বেগম বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের মামুন চৌকিদারে স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের দক্ষিন বাঁশকান্দি গ্রামের আছু মদ্দিন কবিরাজের মেয়ে।

সাথীর ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার বোনকে প্রায়ই যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতো। মাঝে মাঝে অনেক মারধর করতো। এই নিয়ে কয়েকবার শালিস বৈঠকও হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করলে সাথীকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়।

শিবচর থানার পরিদর্শক তদন্ত আমির হোসেন সেরনিয়াবাত জানান, আমরা ঘটনাস্থল থেকে সাথী বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাথী বেগমকে হত্যা করে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে স্পষ্টভাবে জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।