সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় আনতে শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত করতে হবে: বিজিবি মহাপরিচালক

বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় আনতে হলে সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে ও শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত করে তুলতে হবে।’

আজ রবিবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

বিজিবি ডিজি বলেন, ‘সীমান্ত হত্যার বিষয়ে আমরা উভয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছি। সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় আনতে আমরা কূটনৈতিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ না করেন।’

তিনি বলেন, ‘অরক্ষিত জায়গাতে বিওপি স্থাপন করা গেলেও সীমান্তে হত্যাসহ নানা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় আনতে সীমান্তবর্তী জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে ও শিক্ষার মাধ্যমের উন্নত করতে হবে।’

এর আগে সকাল ৯টায় পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

দিবসটি পালন সম্পর্কে বিজিবি ডিজি বলেন, প্রতিবার বিজিবি দিবস খুব জাকজমকভাবে উদযাপন করা হয়। এ বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত আকারে দিবসটি পালন করছি আমরা।

বিজিবির সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্ব টেকনোলজির দিক দিয়ে এগিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে। টেকনোলজির সঙ্গে বিজিবিকে এগিয়ে নিতে হলে বাহিনীতে আধুনিক টেকনোলজি স্থাপন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া বিজিবির সকল সদস্যের প্রয়োজন টেকনোলজিক্যাল প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা।