আমরা বাংলাদেশের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান

বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ দুটি আসর আছে।’
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের বোর্ডের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে মানি বলেন, ‘দল পাঠানোয় আমরা বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং এখন খেলতে আসা জিম্বাবুয়ের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তারা স্বাচ্ছন্দ্য ছিল।’

এহসান বলছেন, ‘ইংল্যান্ডকে নিয়ে আমরা খুব আশাবাদী। তাদের শীর্ষস্থানীয় কয়েক জন কর্মকর্তা আসবেন। আশা করছি তারাও দল পাঠাবে।’

শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের ওপর ভয়াবহ হামলার পর গত কয়েক বছরে প্রভাবশালী ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলো পাকিস্তানে তাদের দল পাঠায়নি। পাকিস্তান খুব চেষ্টা করছে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার।

২০০৯ সালে করাচিতে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দলের টিম বাসে যে হামলা হয়েছিল, তা ঘটেছিল হোটেল থেকে ক্রিকেটাররা স্টেডিয়াম যাওয়ার পথে। পরে ক্রিকেট এক প্রকার বন্ধ হয়ে যায় সেখানে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাড়তি অর্থ দিয়ে জিম্বাবুয়েকে নিয়েছে দেশটি।

পরে বাংলাদেশ কয়েকবার সেখানে খেলতে যায়। সমালোচনা উপেক্ষা করে দেশটিতে ২০১৯ সালে অনুর্ধ-১৯ এবং নারী ক্রিকেট দল পাঠায় বিসিবি। গত জানুয়ারিতে গিয়েছিল পুরুষ জাতীয় দল। সূত্র: দ্য ন্যাশন পিকে