“করোনা ও বন্যায় বিপর্যস্ত মির্জাপুর”

মির্জাপুর প্রতিনিধি: সারাদেশের মত করোনায় বিপর্যস্ত মির্জাপুর উপজেলার সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি -“মরার উপর খাড়ার ঘা” প্রবাদে রূপ নিয়েছে।জেলা সিভিল সার্জন এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮ এপ্রিল প্রথম করোনা সনাক্ত হওয়ার পর থেকে ৬জনের মৃত্যুসহ মোট আক্রান্ত ৩৭৬ জন।সাংসদ জনাব একাব্বর হোসেন(বীর মুক্তিযুদ্ধা), উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচিত সকল প্রতিনিধিদের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রচারণায় করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও আকস্মিক বন্যায় উপজেলার প্রায় ১১ টি ইউনিয়ন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এসব ইউনিয়নের প্রায় সব রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় বাসিন্দারা পড়েছেন চরম বিপাকে।আউশ মৌসুম প্রায় শেষ হতে চললেও পানির ধীর কমতিতে চাষিদের মাঝে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।সর্বপরি,রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় করোনা পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার ব্যাপারেও আশংকা দেখা দিয়েছে।উল্লেখ্য, এশিয়া খ্যাত কুমুদিনী হাসপাতালটিও বন্যা কবলিত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প নৌচলাচলেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা।বিভিন্ন শাখা নদী ও খালের উপর নির্মিত ব্রীজের উচ্চতা ঠিক না থাকায় এর নিচ দিয়ে নৌ চলাচল করতে পারছে না।

সরেজমিনে হাঁটুভাঙা -খাটিয়ারঘাট-কালিয়াকৈর রাস্তাটির উপর গভীরাকুড়ি নামক স্থানে ব্রীজটি পরিদর্শন করে সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।রাস্তা ডুবে যাওয়ায়, নৌচলাচল ঠিকমত না করতে পারায় এবং বিকল্প রাস্তা না থাকায় অন্যান্য অঞ্চলের মত এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন স্তরের দানশীল মানুষদের ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।সাধারণ মানুষ গুলো তবুও আশায় বুক বেধে আছেন।সে আশা নিঃসন্দেহে করোনা ও বন্যা মুক্ত নতুন পৃথিবীর।