৫ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন কামরুল হাসান রিপন

স্টাফ রিপোর্টার : রাত পোহালেই ঈদ। তার একদিন আগেও অসহায়-মেহনতি-কর্মহীন-সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ-উল-আযহার উপহার বিতরণ করেছেন কামরুল হাসান রিপন। আজ শুক্রবার কদমতলী থানার ৬০ নাম্বার ওয়ার্ডের রায়ের বাগ বাসস্ট্যান্ডে প্রায় ১০০০ হাজার মানুষের মাঝে ঈদ উল আযহার উপহার বিতরণ করেন আসন্ন উপ নির্বাচনে ঢাকা -০৫ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুল হাসান রিপন।

গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা-০৫ আসনের সাংসদ হাবিবুর রহমান মোল্লা মৃত্যুবরণ করেন। এরপর অবিভাবক শূন্য হয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। তবে কামরুল হাসান রিপন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মোল্লার অনুপস্থিতির অভাব বুঝতে দেননি। ঢাকার প্রবেশদ্বার খ্যাত ডেমরা-যাত্রাবাড়ী-কদমতলী থানার গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকার মানুষের সকল প্রকার সমস্যা সমাধাণে দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন। আর এই কঠিন সময়ে দিনরাত কার্যক্রমের মাধ্যমে অত্র এলাকার সর্বসাধারণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন কামরুল হাসান রিপন।

যে কারণে আসন্ন ঢাকা-০৫ আসনের উপ-নির্বাচনে কামরুল হাসান রিপনকে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী করার জন্য জোর দাবী উঠেছে। নৌকার মনোনয়ন পেতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের এই শীর্ষনেতাও দারুণ আশাবাদী। কেননা ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দলের দুঃসময়ে এবং ১/১১ তে শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনেও কামরুল হাসান রিপনের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।

আর বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখার শুরু থেকেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাঠে থেকে সক্রিয় ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কামরুল হাসান রিপন। লিফলেট বিতরণ থেকে শুরু করে বিনামূল্যে সুরক্ষা মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ত্রাণসামগ্রী, ইফতার সামগ্রী এবং ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন তিনি। রোজার ঈদে কামরুল হাসান রিপন ১০ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন কামরুল হাসান রিপন।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার কুরবানির ঈদেও মানুষের পাশে দাঁড়ালেন কামরুল হাসান রিপন। ঢাকা-০৫ আসনের যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, কোনাপাড়া, দোলাইপার, রায়েরবাগ, মাতুয়াইল, শনিরআখড়া, কাজলার পাড় এলাকার বিভিন্ন স্হানে ৫০০০ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের এই শীর্ষ নেতা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই অসহায়-মেহনতি মানুষের পাশে আছি। লকডাউনের সময়েও জীবন বাজি রেখে দিন-রাত এক করে মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। একটি দিনের জন্যও আমি ঘরে বসে থাকিনি। দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি মানুষও যেন না খেয়ে থাকে সেই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে চলেছি এবং তা অব্যাহত রাখব।’