Channel-5

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার দ্বিতীয় ভৈরব রেল সেতু


Published: 2017-01-09 09:18:38 BdST, Updated: 2020-01-29 12:07:29 BdST

বিশেষ প্রতিবেদক:ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল পথ চালুর পর ৭৯ বছর ধরে এই একটিমাত্র সেতু দিয়েই চলছে ট্রেন। তবে এ রুটে ডাবল লাইন করতে ২০১০ সালে পুরাতন সেতুর পাশাপাশি নতুন একটি সেতুর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ইরকন ও এফকন্স যৌথভাবে বর্তমান রেল সেতুর ৪০ মিটার দক্ষিণে দ্বিতীয় ভৈরব রেল সেতুর কাজ শুরু করে। এ সেতুর নির্মান কাজ এখন প্রায় শেষের পথে। কয়েক দফা তারিখ পেছানো হলেও এবার রেল কর্তৃপক্ষ বলছে ইতিমধ্যে একানব্বই শতাংশ কাজ শেষ। সব কিছু ঠিক থাকলে এই এপ্রিলেই এ ব্রিজ দিয়ে চলবে ট্রেন।

৫৬৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ দশমিক ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুটিতে মোট ১২টি পিলার ও ৯টি স্পান রয়েছে। মিটার ও ব্রডগেজ ট্রেন চলার জন্য করা হয়েছে ডুয়েল গেজ। চুক্তি অনুসারে গত জুনে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও দুই দফা পিছিয়ে আগামী এপ্রিলে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প পরিচালক আবদুল হাই বলেন, ‘প্রায় ৯১ শতাংশের কাজ শেষ হয়ে গেছে আর মাত্র ৯ শতাংশের মতো কাজ বাকি আছে। আশা করি খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। এ সেতুর মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইনের কাজ অনেকটাই এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে ডাবল লাইন চালু হলে দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি হবে, পণ্য পরিবহনে সুবিধা হবে, যাত্রাপথে সময়ও বাঁচবে।’ এদিকে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী মার্চ অথবা এপ্রিলে ভৈরব দ্বিতীয় রেল সেতুটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন । তবে দুই দফা সময় বাড়লেও বাড়ছে না প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়। এই ব্রিজ যে কেবল নদীর দু'পাড়ের মানুষকে এক করবে বিষয়টি আসলে তেমন নয়। এর মাধ্যমে গতি আসবে রেলে। আর যার প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

চ্যানেল ফাইভ মিডিয়া


যোগাযোগ: নাগিনা ভবন,৩নং,মায়াকানন,সবুজবাগ,ঢাকা 01939317389 পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

Developed by: EASTERN IT